বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার সুবিধাভোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর সামনে এসেছে। রাজ্য সরকারের প্রকাশিত সর্বশেষ নির্দেশিকা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলিতে আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নির্দেশিকা কার্যকর হলে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি (DBT) বর্ধিত অর্থ জমা পড়বে।
কোন প্রকল্পে কত টাকা বাড়ছে?
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী—
- ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওল্ড এজ পেনশন স্কিম (IGNOAPS) – মাসিক ভাতা ১,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ১,৫০০ টাকা।
- ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল উইডো পেনশন স্কিম (IGNWPS) – মাসিক ভাতা ১,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ১,৫০০ টাকা।
- ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ডিজঅ্যাবিলিটি পেনশন স্কিম (IGNDPS) – মাসিক ভাতা ১,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ১,৫০০ টাকা।
কারা এই সুবিধা পেতে পারেন?
সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী আবেদনকারীদের নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। সাধারণভাবে—
- ভারতের নাগরিক হতে হবে।
- প্রকল্পের নির্ধারিত আর্থিক যোগ্যতার মধ্যে থাকতে হবে।
- বার্ধক্য ভাতার ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়সের শর্ত প্রযোজ্য।
- বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নথি জমা দিতে হবে।
কী কী নথি লাগতে পারে?
আবেদনের সময় সাধারণত প্রয়োজন হতে পারে—
- আধার কার্ড বা অন্য পরিচয়পত্র
- ভোটার কার্ড বা রেশন কার্ড (যেখানে প্রযোজ্য)
- ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি
- আয়ের প্রমাণপত্র (যেখানে প্রয়োজন)
- বিধবা ভাতার জন্য স্বামীর মৃত্যু সনদ
- প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য বৈধ প্রতিবন্ধী শংসাপত্র
আবেদন কীভাবে করবেন?
আবেদন অনলাইনে বা অফলাইনে—উভয় পদ্ধতিতেই গ্রহণ করা হতে পারে, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী। এছাড়া স্থানীয় বিডিও অফিস, পঞ্চায়েত, পুরসভা বা সরকারি সহায়তা শিবির থেকেও আবেদন সংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পাওয়া যায়।
যাঁরা ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পগুলির সুবিধাভোগী, তাঁদের ক্ষেত্রে বর্ধিত অর্থ কবে থেকে জমা পড়বে এবং নতুন হার কবে কার্যকর হবে, তা সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশিকা বা স্থানীয় প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তি দেখে নিশ্চিত হওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।



